নিজস্ব প্রতিনিধি, জয়পুর: দলের অন্দরে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব সামলাতে গিয়ে ভারসাম্য বজায় রাখার পথে হাঁটল বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে যেমন প্রথমবারের বিধায়ক ভজনলাল শর্মাকে বেছে নেওয়া হয়েছে, তেমনই উপমুখ্যমন্ত্রী পদে বেছে নেওয়া হয়েছে জয়পুরের রাজকুমারী দিয়া সিংহ এবং প্রেমচন্দ বাইরোয়াকে। বিধানসভার অধ্যক্ষের দায়িত্ব সঁপে দেওয়া হয়েছে বাসুদেব দেবনানির কাঁধে।

আগামী লোকসভা ভোটের দিকে তাকিয়ে জাতপাতের সমীকরণকে মাথায় রেখেই মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় ও রাজস্থানে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে তিন সম্প্রদায়ের নেতাকে বেছে নিয়েছে পদ্ম শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্ব। ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী পদে আদিবাসী নেতা বিষ্ণুদেও সাই এবং মধ্যপ্রদেশে অনগ্রসর (ওবিসি) নেতা মোহন যাদবের পরে রাজস্থানে ‘উচ্চবর্ণের’ নেতাকেই মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হল। প্রতিপক্ষ শিবির থেকে দিয়া কুমারী কিংবা অন্য কেউ যাতে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে না বসতে পারেন তার জন্য মঙ্গলবার জয়পুরে দলীয় বিধায়কদের বৈঠকে নয়া চাল চালেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা ঢোলপুরের মহারানি বসুন্ধরা সিন্ধিয়া। তিনি মুখ্যমন্ত্রী পদে ভজনলাল শর্মার নাম প্রস্তাব করেন। সঙ্ঘ পরিবার থেকে উঠে আসা এবং রাজ্যে ১২ বছর ধরে দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করা ভজনলালের নামে কেউ আপত্তি জানাননি।

তবে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ডেপুটি হিসাবে জুড়ে দেওয়া হয় জয়পুরের রাজকুমারী দিয়া কুমারী ও প্রেমচন্দ বাইরোয়াকে। এদের মধ্যে রাজকুমারী দিয়া সিংহ নিজেই মুখ্যমন্ত্রী পদের জোরালো দাবিদার ছিলেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সির পরিবর্তে আপাতত তাঁকে ডেপুটির কুর্সি নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে।