নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ইজরায়েল-হামাস সংঘর্ষ মধ্যপ্রাচ্যের এক বড় ইস্যু। এই আবহে এক শান্তি সম্মেলনের পরিকল্পনা মিশরের। রাষ্ট্রপতি আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি শনিবার কায়রোতে এক শান্তি সম্মেলনের ডাক দিয়েছেন। বিশেষত ইজরায়েল-প্যালেস্তাইনের চলতি সংঘর্ষ নিয়ে আলোচনার জন্য এই সম্মেলন। ইজরায়েলের আক্রমণে গাজায় ভয়াবহ সংকট থেকে রক্ষা করতেই এই পরিকল্পনা।

এই সম্মেলনে যোগ দিতে পারেন প্যালেস্তাইনের রাষ্ট্রপতি মাহমুদ আব্বাস, জর্ডানের রাজা আবদুল্লাহ, বাহরাইনের রাজা বিন ইসা আল খালিফা, কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি, কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স শেখ মেশাল আল-আহমাদ আল-সাবাহ, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, স্প্যানিশ প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ,  গ্রিক প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিৎসোটাকিস , সাইপ্রিয়টের রাষ্ট্রপতি নিকোস ক্রিস্টোডোলিদেস, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা, জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবক, ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যাথরিন কোলোনা,  জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োকো কামিকাওয়া , ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস ক্লিভারলি, নরওয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসপেন বার্থ ইদে, রাশিয়ার উপ-বিদেশমন্ত্রী মিখাইল বোগদানভ, চিনের মধ্যপ্রাচ্য ইস্যু বিষয়ক দূত ঝাই জুন,  জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতি চার্লস মিশেল, ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিদেশ নীতির প্রধান জোসেপ বোরেল।  

এই সংঘর্ষে যাদের প্রায়ই ফ্রন্টলাইনে দেখা যায় সেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইরানের কোন প্রতিনিধি থাকছেনা। ইজরায়েলের তরফেও কোন প্রতিনিধি যোগ না দেওয়ারই সম্ভাবনা রয়েছে।   তুরস্ক, কাতার এবং ইউরোপের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা সহ প্রায় একাধিক রাষ্ট্রের নেতারা এই শান্তি সম্মেলনে যোগ দিলেও এই তিন দেশের অনুপস্থিতির কারণে আদৌ এই সংঘর্ষের কোন সমাধানসূত্র আসে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন সরাসরি ইজরায়েলকে সমর্থন জানিয়েছে। আক্রমণের পাল্টা প্রতিবাদের অধিকার ইজরায়েলের রয়েছে বলেই মনে করেন তাঁরা। অন্যদিকে আরব নেতারা বলছেন, ইজরায়েলের পাশাপাশি একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই একমাত্র সমাধান।